











বাংলাদেশে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সংঘটিত হাজার হাজার গুমের ঘটনায় গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিশন। সেই কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে ভয়াবহ সব ঘটনা। শত শত মানুষকে বিনা বিচারে দিনের পর দিন আটকে রাখা, তাদের ওপর নির্মম নির্যাতন শেষে হত্যা করার মত লোমহর্ষক বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে সাক্ষীদের জবানবন্দিতে।
বাংলাদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এখন বাস করছে জার্মানিতে। পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তাদের অনেকেই গড়ে তুলছেন নানা উদ্যোগ। কারো যেমন আছে দেশীয় খাবারের রসুইঘর কিংবা দেশী পোশাকের দোকান। অনেকে লেখালেখি কিংবা ছবি আঁকাআঁকি নিয়েও থাকেন। আবার কেউ আছেন গান বাজনা নিয়ে। তেমনি একটি উদ্যোগ নতুন ব্যান্ড দ্য ডর্ম রুম।
ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশে যে গুমের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল তার বিচার করতে গত বছর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে গুম কমিশন। এই কমিশন এখন পর্যন্ত হাজার হাজার গুমের ঘটনা জানতে পেরেছে। সেই গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমন, যাকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে নিরাপত্তা বাহিনী জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর আর ফেরেননি সুমন। তার বোন সানজিদা ইসলাম ভাইকে ফিরে পেতে গড়ে তোলেন মায়ের ডাক নামের একটি সংগঠন।
বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ জিয়া হাসান জার্মানিতে কাজ করছেন টেকনিশে হোকশুলে ওস্টভেস্টফালেন লিপ্পের প্রকল্প গবেষক হিসেবে। বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে লেখালেখির কারণে সাবেক স্বৈরশাসক হাসিনা সরকারের খড়গ নেমে এসেছিল তাঁর লেখা বই উন্নয়ন বিভ্রম এর ওপর। শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন সীমান্ত ম্যাগাজিনের সঙ্গে।
জার্মানিতে প্রবাস জীবনের অর্ধেকটা সময় বন শহরে কাটিয়ে দিয়েছেন তামান্না ইয়াসমিন। তার স্বামী আলবেরুনির সঙ্গে বিয়ের পর বন-রাইন-সিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করতে জার্মানিতে আসেন। দুজন মিলে বছর তিনেক আগে প্রতিষ্ঠা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা টুমরো টুগেদার।
“শরণার্থীরা মূলত একধরণের সস্তা শ্রম সরবরাহ করে। তবে জার্মানির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। যেমন স্বাস্থ্য সেবা কিংবা শিক্ষার সুযোগের বেলাতে, যেটা বাংলাদেশে শরণার্থীরা ওইভাবে পায় না” বলেন গবেষক আনাস আনসার।