ক্যাটাগরি সাক্ষাতকার
-

“ভিন্ন চোখে দেখা- সবার জন্য গড়া”: বনের এক সেতুবন্ধনকারীনী
বিগত ১৯৯৭ সাল থেকে বনে বাস করেন গের্গানা ঘানবারিয়ান বালেভা। বন শহরের একীকরণ ও বৈচিত্র দপ্তরে কর্মরত দোভাষীদের মধ্যে সবচে অভিজ্ঞ একজন। গেল জুলাই মাসে তিনি নেট্সভের্ক পলিটিক আটেলিয়ের সংগঠনের কমিটিতেও নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া বুলগেরিয়ায় জন্ম নেওয়া এই নারী বনের “ভিন্ন চোখে দেখা- সবার জন্য গড়া” প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সীমান্ত ম্যাগাজিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি আরও…
-

“গুমের আসল ঘটনার সংখ্যা অভিযোগের চেয়ে অনেক বেশি”
বাংলাদেশে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সংঘটিত হাজার হাজার গুমের ঘটনায় গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিশন। সেই কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে ভয়াবহ সব ঘটনা। শত শত মানুষকে বিনা বিচারে দিনের পর দিন আটকে রাখা, তাদের ওপর নির্মম নির্যাতন শেষে হত্যা করার মত লোমহর্ষক বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে সাক্ষীদের জবানবন্দিতে। তদন্ত কমিশনের অন্যতম সদস্য নুর খান বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত…
-

“ভয়ের সংস্কৃতি থেকে এখনও অনেক মানুষ বের হতে পারেনি”
ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশে যে গুমের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল তার বিচার করতে গত বছর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে গুম কমিশন। এই কমিশন এখন পর্যন্ত হাজার হাজার গুমের ঘটনা জানতে পেরেছে। সেই গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমন, যাকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে নিরাপত্তা বাহিনী জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর আর ফেরেননি সুমন। তার বোন সানজিদা…
-

জার্মানিতে বাংলা ব্যান্ডকে তুলে ধরছে দ্য ডর্ম রুম
বাংলাদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এখন বাস করছে জার্মানিতে। পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তাদের অনেকেই গড়ে তুলছেন নানা উদ্যোগ। কারো যেমন আছে দেশীয় খাবারের রসুইঘর কিংবা দেশী পোশাকের দোকান। অনেকে লেখালেখি কিংবা ছবি আঁকাআঁকি নিয়েও থাকেন। আবার কেউ আছেন গান বাজনা নিয়ে। তেমনি একটি উদ্যোগ নতুন ব্যান্ড দ্য ডর্ম রুম। এক ঝাঁক তরুণ সঙ্গীত শিল্পী এবার…
-

“দক্ষতা থাকলে আপনি জার্মানিতে জায়গা করে নিতে পারবেন”
বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ জিয়া হাসান জার্মানিতে বাস করছেন পাঁচ বছর ধরে। দেশে বিদেশে কাজ করা এই গবেষক এখন কাজ করছেন টেকনিশে হোকশুলে ওস্টভেস্টফালেন লিপ্পের প্রকল্প গবেষক হিসেবে। নিজের গবেষণার পাশাপাশি লেখালেখি করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে, প্রসঙ্গ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রাজনীতি। বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে লেখালেখির কারণে সাবেক স্বৈরশাসক হাসিনা সরকারের খড়গ নেমে এসেছিল তাঁর লেখা…
-

অভিবাসী সংগঠনকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াতে আরও তৎপর করতে হবে
বিগত ২০২৩ সালের মে মাস থেকে নেটজভের্ক পলিটিক আটেলিয়ের তে আইনে-ভেল্ট নেটজ সংস্থার রিগিওনালপ্রমোটারিন হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ভানেসা প্যুলেন, যার দায়িত্ব হচ্ছে বন ও তার আশেপাশের সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোকে পরামর্শ দেওয়া এবং তাদের মধ্যে যোগবন্ধন করা। উন্নয়ন নীতিমালা এবং আন্তসাংস্কৃতিক প্রকল্প চালু ও সেক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যৎমুখী সমাজ কী ধরণের হতে পারে তার…
-
“ইন্টেগ্রেশনের জন্য প্রবাসীদের বোঝা দরকার, জার্মানি কীভাবে চলে”
ইগনাসিও কাম্পিনো বিগত ১৯৭৪ সাল থেকে জার্মানিতে বসবাস করছেন। চিলিতে জন্ম নেওয়া এই কৃষি গবেষক অনেক বছর ধরে জার্মানির ভূমি উন্নয়ন, শিল্প, টেলিযোগাযোগ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অবদান রেখেছেন। বিগত ২০০২ সালে জাতিসংঘ সেই দশকটিকে “টেকসই উন্নয়নমূলক শিক্ষা দশক” বলে ঘোষণা দেয়। সেসময় ড. কাম্পিনো এই দশক বাস্তবায়ন সংক্রান্ত জার্মানির জাতীয় কমিটিতে স্থান পান। সেই…
-

”জার্মানির বহু এনজিও শিক্ষার্থীদের সুযোগ দিয়ে যাচ্ছে”
জার্মানিতে প্রবাস জীবনের অর্ধেকটা সময় বন শহরে কাটিয়ে দিয়েছেন তামান্না ইয়াসমিন। তার স্বামী আলবেরুনির সঙ্গে বিয়ের পর বন-রাইন-সিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স করতে জার্মানিতে আসেন। তার স্বামী আলবেরুনি বর্তমানে জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছেন। দুজন মিলে বছর তিনেক আগে প্রতিষ্ঠা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা টুমরো টুগেদার। নিজের সংগঠনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তামান্না ইয়াসমিন…
-
“বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোকে তুলে ধরতে চলচ্চিত্র একটি দারুণ মাধ্যম”
আলব্রেশট হোফমান বিগত ১৯৯৪ সাল থেকে স্থানীয় এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন। এজন্য তিনি স্থানীয় সংগঠন, সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সহায়তা করে থাকেন এবং তার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন বন এবং তার আশেপাশের সংগঠনগুলোর কাছে এক পরিচিত মুখ। বিগত ২০১৯ সাল থেকে তিনি বনের নেট্জভের্ক পলিটিক আটেলিয়ের এর পরিচালনা কমিটির সদস্য, পাশাপাশি…
-

“বাঙ্গালী নারী যখন সাজতে চায় তখন শাড়িটাই পড়ে”
মেহজাবিন তানভির ভালবাসেন শাড়ী পড়তে। বাংলাদেশ থেকে এতদূরে বাস করলেও দেশের পোশাকের প্রতি তার ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি। তাই জার্মানিতে তিনি গড়ে তুলেছেন নিজস্ব দেশী পোশাকের অনলাইন দোকান শাড়ি মার্কট। ”পশ্চিমা পোশাক পরতে আরাম লাগে সেটা সত্যি। কিন্তু আমরা বাঙ্গালী নারীরা যখন সাজতে চাই তখন শাড়িটাই পড়ি। মনে হয় শাড়িতেই আমাকে বেশি সুন্দর লাগে। শাড়ি পড়লেই…
